Logoশরয়ী সমাধান
Cover image

প্রশ্ন-উত্তর

কুফুরি রাষ্ট্রে বসবাসের হুকুম কি

উত্তর দিয়েছেনঃ Hm Sulayman

১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

Share Copy Link
প্রশ্নঃ
আমি একটি অনৈসলামিক কুফরী রাষ্ট্রে টেক্স দিয়ে বসবাসকারী ব্যাক্তি। আমার বসবাসের বিধান কি এবং ঐ রাষ্ট্র কর্তৃক প্রদানকৃত আমার সুবিধাভোগের বিধান কি?
উত্তরঃ

বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম।

বহির্বিশ্বের তথাকথিত ইসলামি দেশগুলোতে নির্ভরযোগ্য তথ্যানুযায়ী শরীয়াহর আইন পুরোপুরি বাস্তবায়িত নয়। সেখানেও সেক্যুলার ধারা জারি। কিছু কিছু নিয়ম হয়ত শরয়ী ধারার। কিন্তু মুলগত বিবেচনায় সেখানে শরয়ী আইন জারি নাই।

সেগুলোও হুকুমের বিচারে দারুল কুফর বলেই বিবেচিত। তবে কুফরের পরিধি সেখানে কম। দারুল কুফরের আরেকটি পরিভাষা হচ্ছে দারুল মুআহাদা বা দারুল আমান। অর্থাৎ যেখানে দ্বীন পালন করা যায় মৌলিকভাবে, তেমন বাধাগ্রস্থ হতে হয় না। এসব দেশ দারুল কুফরের এই দ্বিতীয় প্রকারের অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশও দারুল কুফরের দ্বিতীয় প্রকার।

আর যেসব দেশে দ্বীন পালন প্রায় অসম্ভব, রাষ্ট্রীয়ভাবে শতভাগ কুফরি আইন জারি যেমন ইজরায়েল, আমেরিকা, ইংল্যান্ড: সেসব দেশ হচ্ছে মুল দারুল কুফর। এমন দেশে স্থায়ীভাবে থাকার সুযোগ নাই। কাফির রাষ্ট্রে যাওয়ার বিধান বেশ বিস্তারিত। সংক্ষেপে বলি।

(১) দ্বীন প্রচারের নিয়তে যাওয়া জায়েজ।

(২) জীবিকা নির্বাহ নিজ দেশে কঠিন হয়ে পড়লে অস্থায়ীভাবে কাফির রাষ্ট্রে যাওয়া জায়েজ।

(৩)পড়াশোনার জন্য যাওয়া জায়েজ, শর্ত হলো ঐ সাবজেক্টের সুন্দর অনুশীলন বা পড়ার কোন সুব্যবস্থা নিজ দেশে না থাকা।

(৪) অস্থায়ীভাবে থাকার নিয়তে যাওয়া।

তবে বিদেশ গেলে তিনটি শর্ত জরুরী। (১) নিজের ঈমান সংশয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকতে পারবে না। (২) নিজের প্রবৃত্তিকে কন্ট্রোল করতে পারা, পাশ্চাত্যের সঙ্গে নিজেকে না মিলিয়ে ফেলা। (৩) হক্ব বাতিলের মধ্যে পার্থক্য নিরুপণকারী জ্ঞান বিদ্যমান থাকা, যাতে সে নিজেকে রক্ষা করতে পারে।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আমি ঐ সমস্ত মুসলিমদের দায়ভার বহন করবো না যারা মুশরিকদের মাঝে থাকে।” [আবু দাউদ: ২৬৪৫, তিরমিযী: ১৬০৪

Share Copy Link

© ২০২৬ শরয়ী সমাধান - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত

Facebook Group