

প্রবন্ধ
রোজা ভঙ্গের কারণসমূহঃ শুধুমাত্র কাযা ওয়াজিব হয় যেসব কারণে
১ মার্চ, ২০২৫
যেসমস্ত কারণে রোযা ভেঙ্গে যায় এবং শুধুমাত্র রোযা কাযা করতে হয়ঃ স্ত্রী রাজি না থাকা অবস্থায় জোরপূর্বক যদি স্বামী সহবাস করে, তাহলে স্ত্রীর রোযা ভেঙ্গে যাবে। কিন্তু তার উপর শুধু পরবর্তীতে কাযা রাখা আবশ্যক হবে কাফফারা দিতে হবে না। কিন্তু স্বামীর উপর কাযা ও কাফফারা উভয়ই আবশ্যক হবে। ইচ্ছা করে মুখ ভরে বমি করা ইফতারের সময় হয়েছে ভেবে সূর্যাস্তের আগে ইফতার করলে। ভুলবশত কোনো কিছু খেয়ে, রোজা ভেঙে গেছে ভেবে ইচ্ছা করে আরো কিছু খেলে। বমির বেশির ভাগ মুখে আসার পর তা গিলে ফেলা মেয়েদের মাসিক ও সন্তান প্রসবের পর নেফাস তথা ঋতুস্রাব হলে। প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে ওষুধ বা অন্য কিছু শরীরে প্রবেশ করালে। রোজাদারকে জোর করে কেউ কিছু খাওয়ালে। রাত অবশিষ্ট আছে মনে করে সুবহে সাদিকের পর পানাহার করলে। কুলি করার সময় স্বরণ থাকা অবস্থায় অনিচ্ছায় গলার ভেতর পানি প্রবেশ করলে। বৃষ্টির পানি মুখে পড়ার পর তা খেয়ে ফেললে। জিহ্বা দিয়ে দাঁতের ফাঁক থেকে ছোলা পরিমাণ কোনো কিছু বের করে খেয়ে ফেললে। অল্প বমি মুখে আসার পর ইচ্ছাকৃতভাবে তা গিলে ফেললে। হস্তমৈথুন করলে রোযা ভেঙ্গে যাবে, কাযা করতে হবে। কাফফারা আসবে না। তবে কঠোর শক্ত গোনাহ এটি। উপরোল্লেখিত কারণে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং শুধুমাত্র প্রতিটি রোযার বিপরীতে একটি করে রোযা কাযা করতে হবে।
বিস্তারিত পড়ুনরোজা ভঙ্গের কারণসমূহঃ কাযা এবং কাফফারা ওয়াজিব হয় যেসব কারণে
১ মার্চ, ২০২৫
কোন ব্যক্তি রমযানে রোযা রেখে দিনে স্ত্রী সহবাস করলে বীর্যপাত না হলেও স্বামী-স্ত্রী উভয়ের উপর কাযা ও কাফফারা ওয়াজিব হবে। অনুরুপভাবে রোযা রেখে স্বাভাবিক অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করলে কাযা ও কাফফারা উভয়টি জরুরি হবে। উল্লেখ্য যে : পানাহার বলতে এমন জিনিস ভক্ষণ করা, যা দ্বারা পেটের ক্ষুধা নিবারণ হয়, তাই মাটি-ইট ইত্যাদি খেলে রোজা ভঙ্গ হবে, তবে কাফফারা আসবে না। অথবা ব্যক্তি কোন চাহিদা পূরণ বা নেশার কারণে যা কিছু খেয়ে থাকে। তাই বিড়ি-সিগারেট-হুক্কা খেলেও রোযা ভঙ্গ হয়ে যাবে এবং কাফফারা আসবে। সমকামিতায় লিপ্ত হলে কাযা-কাফফারা দুটিই ওয়াজিব হবে। সুবহে সাদিক হয়ে গেছে জানা সত্ত্বেও আযান শোনা যায়নি বা এখনো ভালোভাবে আলো ছড়ায়নি এ ধরনের ভিত্তিহীন অজুহাতে খানাপিনা করলে বা স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হলে কাযা-কাফফারা দু’টোই ওয়াজিব হবে। স্ত্রীর মুখের থুথু গিলে ফেললে রোযা ভেঙ্গে যাবে, এবং কাযা-কাফফারা দুটোই ওয়াজিব হবে। ঔষধ খেলে রোযা ভেঙ্গে যাবে এবং কাযা - কাফফারা দুটিও ওয়াজিব হবে। উপরোক্ত কারণে কাযা-কাফফারা দুটিই ওয়াজিব হয়।
বিস্তারিত পড়ুনপ্রবন্ধ এর বিষয়সমূহ
২৭তম রজনী
অনলাইন কোর্স
অলিম্পিক
আংটি
আধুনিক মাসআলা
আধুনিক মাসাআলা
আমল
উম্মুল মু'মিনিন
ঋণ
ওকালতি
কট
কাপড়ের মোজা
কাফফারা
কাযা
কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস
কুফর
কুরবানী
ক্রিকেট
ক্রিপ্টোকারেন্সি
ক্র্যাকড
খেলাধুলা
খেলাধুলা হতে উপার্জন
গোশত বন্টনে
জমি
জর্দা
ডাক্তারি বিদ্যা
ডিফেন্স ফোর্স
ড্রপ শিপিং
তাকবীরে তাহরিমা
তামাক
তারাবীহ
তালাক
দাবা
দৈনন্দিন আমল
দোআ
দোয়া
নবীজি
নবুয়তের সিলমোহর
নামাজ
নেশা
নৌবাহিনী
পাইরেটেড
পার্লামেন্ট সদস্য
পাশা
পুলিশ
পেইড কোর্স
প্রয়োজনীয়
প্রয়োজনীয় আমল
ফরেক্স ট্রেডিং
ফিদিয়া
ফুটবল
বন্ধক
বর্গা
বাইনারি ট্রেডিং
বিচারপতি
বিটকয়েন
বিড়ি
বিডিআর
ব্যবসায়
ব্যাডমিন্টন
ব্যারিস্টার
মদ
মাকরুহ
মাজহাব
মাসবুক
মাসেহ
মুনাজাত
মেডিকেল
মোজা
যাকাত
যাকাত-ফিতরা
রাজনীতি
রাস্তায় পাওয়া জিনিস
রুকু
রোজা
রোজা ভঙ্গের কারণ
রোজার মাসআলা
রোজার মাসাআলা
রোযা ভঙ্গের কারণ
র্যাব
লাইলাতুল ক্বদর
লাইলাতুল বারাআত
লুডু
শতরঞ্জ
শবে ক্বদর
শবে বরাত
শিক্ষক
সফটওয়্যার
সংবিধান
সরকারি চাকরি
সহশিক্ষা
সাধারণ সরকারি চাকরি
সামরিক বাহিনী
সামাজিক প্রথা
সালাম
সিগারেট
সিজদা
সুদ
সুন্নাত-বিদআত
সেক্যুলারিজম
সেনাবাহিনী
স্ত্রী
হারাম
© ২০২৬ শরয়ী সমাধান - সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
